চুলকানি দূর করার ক্রিম: চুলকানি প্রায় সবার হয়ে থাকে। তবে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চুলকানি হয়। এর মধ্যে খুব অস্বস্তিকর একটি জায়গায় অনেকের চুলকানি হয়ে থাকে। সে জায়গাটি নাম হচ্ছে রানের চিপা অর্থাৎ সহজ ভাষায় বলতে গেলে আপনার যদি দুই পায়ের মাঝখানে চুলকানি। অর্থাৎ পুরুষাঙ্গের নিচের দিকে যদি আপনার চুলকানি হয়ে থাকে তার এই পোস্ট থেকে বিভিন্ন ধরনের ক্রিমের নাম জানতে পারবেন।
অতএব যাদের রানের চিপায় চুলকানি রয়েছে তাদের জন্য এই পোস্ট অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। তাই আপনার চুলকানি দূর করতে রানের চিপায় চুলকানির ক্রিম এর নাম সম্পর্কে আমাদের এই পোস্ট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে জেনে নিন।
রানের চিপায় চুলকানি দূর করার ক্রিম
তবে আপনার যদি এরকম জায়গা চুলকানি হয়ে থাকে। তাহলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিয়ে বিভিন্ন প্রকার ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। তবে এই ক্রিমগুলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। অতএব যাদের রানে চিপা চুলকানি হয়ে থাকে। তাদেরকে ডাক্তারগণ বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করতে বলেন। আর সেসব ক্রিমের নাম নিয়ে আজকের এই আর্টিকেল সম্পন্ন করেছি। তাই যাদের রানে চিপার চুলকানি রয়েছে তারা অবশ্যই রানের চিপায় চুলকানির ক্রিম এর নাম গুলো জেনে নিবেন।
রানের চিপায় চুলকানি দূর করার মলম
ডাক্তার আর রোগীদের কে বিভিন্ন ওষুধ প্রদান করার পাশাপাশি মলম প্রদান করে থাকেন। তবে বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদেরকে মলম প্রদান করা হয়ে থাকে। আর চুলকানি সারাতে এই মলম গুলো অনেক বেশি কার্যকরী। আপনি চাইলে বিপণপ্রকার মলম আপনাররানের চিপার চুলকানি দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মলের নাম হচ্ছে:
- পিভিসন
আর যাদের রানের চিপায় চুলকানি রয়েছে দীর্ঘদিন যাব। অতি দ্রুত সারাতে চাচ্ছেন এই চুলকানি। তাহলে ম*রণ হিসেবে বা ক্রিম হিসেবে এ পেভিসন মলম ব্যবহার করতে পারেন।
দুই রানের চিপায় চুলকানির ঔষধ
আজকে আর্টিকেলে যে ক্রিমগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে ইতিমধ্যে। অথবা আরো সেই ক্রিমের নাম গুলো উল্লেখ করতে যাচ্ছি। এই ক্রিমগুলো বিভিন্ন উপসর্গ নিরাময় তৈরি হয়ে থাকে। যেমন পেভিসন ক্রিম শরীরের বিভিন্ন জায়গার চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে। তবে যাদের দুই রানের চিপায় চুলকানি রয়েছে তারা পেভিসন ক্রিম সহ কর্টিসোন ক্রিম,steroid cream, Lidocaine cream ইত্যাদি ক্রিম গুলো আপনার রানের চিপারচুলকানি করতে সহায়তা করে।
চুলকানি দূর করার ক্রিম নিয়ে ১০টি FAQ:
চুলকানি দূর করার ক্রিম কী জন্য ব্যবহার হয়?
চুলকানি দূর করার ক্রিম ত্বকের লালচে দাগ, জ্বালা ও চুলকানি কমাতে ব্যবহার হয়।ক্রিমটি কতবার ব্যবহার করা উচিত?
সাধারণত দিনে ১–২ বার আক্রান্ত স্থানে হালকাভাবে মলিশ করে ব্যবহার করা হয়।ক্রিম ব্যবহার কতদিন ধরে চালাতে হবে?
সংক্রমণ বা চুলকানি কমে না গেলে ডাক্তার নির্দেশ অনুযায়ী ৭–১৪ দিন ব্যবহার করা যেতে পারে।বাচ্চাদের জন্য কি ব্যবহার নিরাপদ?
শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ডাক্তার পরামর্শ নিন।ক্রিমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী কী হতে পারে?
খুব কম ক্ষেত্রে লালচে দাগ, চুলকানি বা হালকা জ্বালা দেখা দিতে পারে।গর্ভবতী মা কি এই ক্রিম ব্যবহার করতে পারবে?
গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করতে হবে।ক্রিম খাবারের সাথে ব্যবহার করা যাবে কি?
না, এটি বাহ্যিক ব্যবহার করার জন্য; খাবারের সঙ্গে সম্পর্ক নেই।চুলকানি দূর করার ক্রিম বাজারে কোথায় পাওয়া যায়?
এটি স্থানীয় ফার্মেসি বা অনলাইন ফার্মেসিতে সহজে পাওয়া যায়।ক্রিম ব্যবহার করার সময় কোন সতর্কতা নেওয়া উচিত?
আক্রান্ত স্থানে সংস্পর্শ রাখার আগে হাত পরিষ্কার করুন, চোখে লাগানো থেকে বিরত থাকুন।ক্রিম ব্যবহার ছাড়া চুলকানি কমানো সম্ভব কি?
হ্যাঁ, তবে প্রাথমিকভাবে ঠান্ডা সেক, হালকা সাবান ব্যবহার এবং পরিষ্কার রাখা সাহায্য করে, কিন্তু ক্রিম দ্রুত কার্যকর।
শেষ কথা
যদি এই পোস্ট ইতিমধ্যে আপনারা সম্পূর্ণ পড়ে নিয়ে থাকেন তাহলে আশা করছি রানের চিপায় চুলকানি দূর করার ক্রিম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আর এখানে বিভিন্ন ক্রিম এবং মলমের নাম উল্লেখ করেছি। যদি এই পোস্ট আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে না তাহলে আপনার আশেপাশের ব্যক্তিদের কে অবশ্যই এই পোস্ট শেয়ার করে জানিয়ে দিবেন।
